তীব্র গরমে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়লেও জ্বালানি সংকটে উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না, ফলে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ ঘাটতি দ্রুত বাড়ছে। সরকারি হিসাবে ঘাটতি প্রায় আড়াই হাজার মেগাওয়াট হলেও বাস্তবে তা চার হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যাচ্ছে। রাজধানীতে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে গ্রামাঞ্চলে প্রতিদিন ৮-১০ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং করা হচ্ছে। দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া ৫২৫ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং ভারতের আদানি পাওয়ার থেকে সরবরাহ কমে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে সংকট আরও বেড়েছে। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে ২ হাজার ৬৭ কোটি টাকার অর্থ ছাড় অনুমোদন দিয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে, গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্রগুলোতে ৪৫০০-৫০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে, তেলভিত্তিক উৎপাদন একদিনেই অর্ধেকে নেমে এসেছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে এবং গ্রীষ্ম ও সেচ মৌসুমে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে তারা জরুরি ভিত্তিতে ২০ হাজার কোটি টাকা চেয়েছে। বড়পুকুরিয়ার দুটি ইউনিট বিকল থাকায় উত্তরাঞ্চলের আট জেলায় ভয়াবহ লোডশেডিং চলছে।
প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সংসদে জানান, গ্রাম-শহর বৈষম্য দূর করতে শহরেও লোডশেডিং করা হবে, যাতে কৃষকরা সেচের জন্য পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ পান।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।