আমার দেশ অনলাইনের প্রতিবেদনে ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যার পরবর্তী ঘটনাবলি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। মেজর রেজাউল করিম রেজা ও ব্রিগেডিয়ার (অব.) হান্নান শাহর বর্ণনার ভিত্তিতে প্রতিবেদনে বলা হয়, মেজর জেনারেল আবুল মঞ্জুর হত্যাকাণ্ডের পর সেনানিবাসে অস্থির পরিস্থিতির মধ্যে দায়িত্ব পালন করছিলেন। রেজা জানান, মঞ্জুর সেনাপ্রধান জেনারেল এরশাদের সঙ্গে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান এবং পরিস্থিতি অবনতির পর চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট থেকে পালিয়ে যান।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মঞ্জুর পরিবারসহ পাহাড়ি এলাকায় পালানোর চেষ্টা করলেও গাড়ি বিকল হয়ে পড়লে তিনি পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। পরে তাকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরবর্তীতে হত্যার অভিযোগ ওঠে, যা এখনও বিচারাধীন। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ১ জুন ব্রিগেডিয়ার হান্নান শাহ নতুন কবর থেকে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃতদেহ উদ্ধার করে ঢাকায় পাঠান।
হান্নান শাহর মতে, হত্যাকাণ্ডের সঠিক বিচার না হওয়ায় ঘটনাটি ঘিরে রহস্য রয়ে গেছে, যদিও কয়েকজন সেনা কর্মকর্তার বিচার ও মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছিল।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।