জাতীয় সংসদে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনীসহ অর্থ বিল ২০২৬ পাস হয়েছে। সংশোধনীগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগের তথ্য প্রকাশের প্রস্তাব প্রত্যাহার। অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিলটি উত্থাপন করলে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়। বাজেট আলোচনায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর এসব সংশোধনী আনা হয়।
সংশোধিত প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৬–২৭ ও ২০২৭–২৮ অর্থবছরে করমুক্ত আয়ের সীমা ৪ লাখ টাকা, ২০২৮–২৯ ও ২০২৯–৩০ অর্থবছরে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ২০৩০–৩১ অর্থবছরে ৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। টিআইএন সনদ বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবও প্রত্যাহার করা হয়েছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়কর হার ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কর-সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ডিজিটাল বিজ্ঞাপনে ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত যানবাহন ও গহনার ওপর কর হ্রাসসহ বিভিন্ন শিল্পে শুল্ক-সুবিধা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এসব পদক্ষেপ দেশীয় শিল্পকে সহায়তা ও কর পরিপালন সহজ করতে নেওয়া হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।