ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ সাত বছরের এক শিশুকে অঙ্গহানি করে ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করার মামলায় তিনজনকে আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং দুজনকে দশ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বিচারক মুন্সী মো. মশিউর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন। প্রত্যেক আসামিকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আদালত নির্দেশ দেন, আসামিদের সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে জরিমানার অর্থ ভিকটিমের পরিবারকে দিতে হবে।
আমৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সালাউদ্দিন, মো. শরিফুল ইসলাম ওরফে কোরবান মিয়া এবং খন্দকার ওমর ফারুক। বয়স বিবেচনায় মো. রমজান ও সাদ্দামকে দশ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। প্রমাণের অভাবে কাউসার ও নাজমা আক্তারকে খালাস দেওয়া হয়েছে। শরিফুল ইসলাম ও ওমর ফারুক কারাগারে আছেন, আর সালাউদ্দিন, রমজান ও সাদ্দাম পলাতক। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১০ সালের ৬ মে কামরাঙ্গীরচরে শিশুটিকে ডেকে নিয়ে গিয়ে অঙ্গহানি করা হয়। মামলায় ২০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের পর আদালত রায় ঘোষণা করে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।