সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ‘ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং বাস্তবায়ন গাইডলাইন-২০২৬’ চূড়ান্ত করেছে। আগামী ১০ মার্চ রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। এর আগে বগুড়ায় উদ্বোধনের পরিকল্পনা থাকলেও উপনির্বাচনের কারণে তা স্থগিত করা হয়েছে। নীতিমালায় বলা হয়েছে, সরকারি পেনশনভোগী, গাড়ি বা এসি মালিক, সরকারি চাকরিজীবী ও বড় ব্যবসার মালিক পরিবার এ কার্ডের সুবিধা পাবেন না।
ভূমিহীন, গৃহহীন, প্রতিবন্ধী সদস্যের পরিবার এবং হিজড়া, বেদে ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর পরিবারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। সুবিধাভোগী নারীর মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি অর্থ জমা হবে। বিদ্যমান টিসিবি কার্ডকে ‘ডাইনামিক সোশ্যাল রেজিস্ট্রি’ হিসেবে ব্যবহার করে খাদ্য সহায়তা, শিক্ষা উপবৃত্তি ও কৃষি ভর্তুকির সুবিধা দেওয়া হবে।
পাইলট প্রকল্পে ১৩টি এলাকা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যার বাজেট ২ কোটি ১১ লাখ টাকা। প্রাথমিকভাবে ৬,৫০০ দরিদ্র পরিবার এ কার্ড পাবে এবং ধীরে ধীরে ২ কোটি পরিবারকে আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ডকে সর্বজনীন সোশ্যাল আইডি কার্ডে রূপান্তর করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।