ভারতীয় গরু প্রবেশ ঠেকাতে কুমিল্লা সীমান্তে কঠোর নজরদারি জোরদার করেছে প্রশাসন, যা ঈদুল আজহা সামনে রেখে স্থানীয় খামারিদের স্বস্তি দিয়েছে। জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের তথ্যমতে, জেলার ১৭টি উপজেলায় প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার পশু প্রস্তুত রয়েছে, যা স্থানীয় চাহিদার চেয়ে বেশি। খামারিরা আশা করছেন, এই নজরদারি অব্যাহত থাকলে দেশি পশুর ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হবে।
খামারিরা প্রাকৃতিক উপায়ে গরু, ছাগল, ভেড়া ও মহিষ মোটাতাজা করছেন এবং অনলাইনেও বিক্রি শুরু হয়েছে। তবে তারা অভিযোগ করেছেন, পশুখাদ্যের দাম বেড়েছে কিন্তু মাংসের দাম বাড়েনি, যা দীর্ঘমেয়াদে খামার ব্যবসার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিজিবি যৌথভাবে সীমান্তে নজরদারি চালাচ্ছে যাতে ভারতীয় গরু প্রবেশ করতে না পারে। তিন শতাধিক অস্থায়ী পশুর হাট বসবে এবং বাজার মনিটরিংয়ে প্রতিদিন দুটি টাস্কফোর্স কাজ করবে। প্রশাসনের আশা, কঠোর নজরদারির ফলে বাজারে স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা বজায় থাকবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।