কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রোবটের দ্রুত ব্যবহার চীনের শ্রমবাজারে বড় পরিবর্তন আনছে; কর্মীরা চাকরি হারাচ্ছেন এবং আরও কর্মসংস্থান হারানোর আশঙ্কা করছেন। বেইজিংয়ের কম্পিউটার প্রোগ্রামার ফেই ঝাওজুনের নিয়োগকর্তা জানতে চেয়েছিলেন, এআই শিগগির মানুষের বদলে কোডিং করতে পারবে কি না। এর দুই সপ্তাহ পর ফেইসহ প্রায় ১৬০ কর্মী চাকরি হারান।
প্রোগ্রামিংয়ের বাইরে স্ক্রিপ্ট লেখা, অনুবাদ, গণমাধ্যম ও বিভিন্ন শারীরিক কাজেও এআইয়ের ব্যবহার বাড়ছে, যা চাকরি ও আয় নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। খাবার সরবরাহেও রোবট ব্যবহারের প্রবণতা বাড়ায় লাখ লাখ ডেলিভারি কর্মীর জীবিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সরকার ‘এআই প্লাস’ উদ্যোগ এবং ২০৩০ সাল পর্যন্ত পরিকল্পনার মাধ্যমে বিভিন্ন শিল্পে এআই ব্যবহারে উৎসাহ দিচ্ছে, যাতে উৎপাদনশীলতা ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ে।
অর্থনীতিবিদদের কেউ কেউ বলছেন, এআই উৎপাদনশীলতা বাড়ালেও নির্দিষ্ট দক্ষতাভিত্তিক কাজে কর্মী ছাঁটাইয়ের ঝুঁকি বাড়তে পারে। চীনে নগর বেকারত্ব প্রায় ৫ শতাংশ, আর ১৬ থেকে ২৪ বছর বয়সীদের বেকারত্ব এর প্রায় তিন গুণ। তবে জনসংখ্যা বয়স্ক হওয়া ও কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা কমার প্রেক্ষাপটে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি ভবিষ্যৎ শ্রমিক-ঘাটতি পূরণে সহায়ক হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।