বিদেশি বীজনির্ভরতা কমাতে বাংলাদেশে উন্নতমানের দেশীয় পাট ও গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের কথা রয়েছে। সার্কের আওতায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে জলবায়ু উপযোগী হাইব্রিড বীজ উৎপাদনের প্রযুক্তি ও সক্ষমতা বিনিময়ের উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।
দেশে বছরে পাট বীজের চাহিদা প্রায় ৬,৪০০ টন, যার মধ্যে প্রায় ৫,২০০ টন ভারত থেকে আমদানি করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন ও স্থানীয় কৃষকরা সরবরাহ করেন বাকি ১,৩০০ টন। আমদানি সরবরাহে জটিলতা দেখা দিলে বাজারে অস্থিরতার ঝুঁকি থাকায় কৃত্রিম সংকট ও একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ মোকাবিলাও উদ্যোগের লক্ষ্য।
পরিকল্পনায় রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার কমানো, মাটির উর্বরতা পুনরুদ্ধার এবং পরিবেশবান্ধব কৃষি সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ডলোচুন, জৈবসার হিসেবে ধঞ্চে চাষ, ফেরোমোন ফাঁদ ও হলুদ আঠালো ফাঁদ ব্যবহারে কৃষকদের উৎসাহিত করার কথা বলা হয়েছে। কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সঠিক বাস্তবায়ন হলে সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ, উৎপাদন খরচ কমানো এবং কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সহায়তা হতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।