শাইখ যাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার ঢাকার শিক্ষাসচিব ও সিনিয়র মুফতির একটি মন্তব্যে সম্প্রতি জাতীয় সংসদে পাস হওয়া ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল, ২০২৬’-এর একটি বিধানকে শরিয়াহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলা হয়েছে। বিধানটি অনুযায়ী পিতা-মাতা বা পিতামহ-মাতামহ সন্তান বা নাতি-নাতনিকে সম্পত্তি দান করার পরও দাতার জীবদ্দশায় ভোগ ও দখলের অধিকার রাখতে পারবেন। লেখায় বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট অন্য পারিবারিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও একই ধরনের বিধান প্রযোজ্য।
লেখকের ভাষ্য অনুযায়ী, ইসলামী ফিকহে হেবা হলো জীবদ্দশায় বিনিময় ছাড়া সম্পত্তির মূল মালিকানা অন্যের কাছে হস্তান্তর। কবজের মাধ্যমে গ্রহীতা পূর্ণ মালিক হলে দাতার আগের মালিকানাগত অধিকার বহাল থাকার কথা নয়। লেখাটি মালিকানা হস্তান্তর ও শুধু ব্যবহারাধিকার দেওয়ার মধ্যে পার্থক্য করেছে এবং বলেছে, ব্যবহারাধিকার আলাদা চুক্তির বিষয় হতে পারে।
মন্তব্যে বয়স্ক পিতা-মাতার নিরাপত্তার উদ্দেশ্যকে গ্রহণযোগ্য বলা হলেও পদ্ধতিটি শরিয়তসম্মত হওয়া জরুরি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। লেখক দাবি করেন, মৃত্যুর পর হেবা কার্যকরের শর্ত তা অসিয়তে রূপ দিতে পারে, যা বৈধ ওয়ারিশের জন্য কার্যকর নয়। উত্তরাধিকারনীতি, সন্তানদের মধ্যে সমতা, পারিবারিক কলহ এবং সম্পত্তি বিক্রি বা বন্ধকসংক্রান্ত জটিলতার আশঙ্কাও তুলে ধরা হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।