ইয়েমেনের হুতি রাজনৈতিক ব্যুরোর মুখপাত্র মোহাম্মদ আবদুস সালাম ওমানে একটি সৌদি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ২৬ জুলাই ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে আনসারুল্লাহ হুতি সূত্র জানায়, বৈঠকটির লক্ষ্য ছিল আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা জোরদার করা। পাল্টাপাল্টি হামলার পর এ বৈঠকের খবর সামনে আসে।
রিয়াদ হুদাইদাহ প্রদেশে বিমান হামলা চালানোর পর শনিবার লোহিত সাগর উপকূলের দুটি বন্দরে থাকা সৌদি তেল স্থাপনায় হামলা চালায় ইরান-সমর্থিত হুতিরা। হুতি গোষ্ঠীর আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলা হয়, সৌদির নগ্ন আগ্রাসনের জবাবে ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী দুটি সুনির্দিষ্ট সামরিক অভিযান চালিয়েছে।
বিবৃতি অনুযায়ী, জিজানের সংবেদনশীল আরামকো স্থাপনায় ডজনখানেক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়। ইয়ানবুর আরামকো স্থাপনাও একাধিক ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন দিয়ে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। ইয়েমেন টেলিভিশন জানায়, পরে মারিব ও আল-জউফে হুতি অবস্থানগুলোতে বিমান হামলা হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।