বিশ্বকাপের প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে ফ্রান্স। ম্যাচটি কেবল জয়ের লড়াই নয়, বরং বন্ধুত্ব, জন্মভূমি ও শিকড়ের আবেগঘন সংঘাতের প্রতিচ্ছবি ছিল। পিএসজির সতীর্থ কিলিয়ান এমবাপ্পে ও আশরাফ হাকিমি এই ম্যাচে মুখোমুখি হন, যেখানে এমবাপ্পের নেতৃত্বে ফ্রান্স জয় পায় এবং হাকিমির মরক্কো রক্ষণ সামলাতে ব্যর্থ হয়।
মরক্কোর দলে ফ্রান্সে জন্ম নেওয়া ছয়জন খেলোয়াড় ছিলেন—রেদুয়ান হালহাল, গেসিম ইয়াসিন, সামির এল মুরাবেত, নিল এল আয়নাউয়ি, ইসা দিওপ ও আইয়ুব বুয়াদ্দি। তাদের মধ্যে ১৮ বছর বয়সী মিডফিল্ডার বুয়াদ্দি বিশেষভাবে আলোচনায় আসেন, যিনি বিশ্বকাপের আগে ফ্রান্সের অনূর্ধ্ব-২১ দলের অধিনায়কত্ব ছেড়ে মরক্কোর জাতীয় দল বেছে নেন। মরক্কো দীর্ঘদিন ধরে দ্বৈত নাগরিকত্বধারী প্রতিভাবান ফুটবলারদের জাতীয় দলে যুক্ত করার কৌশলে সফল।
এই ম্যাচ তাই কেবল ফুটবল কৌশলের নয়, বরং পরিচয় ও আবেগের লড়াই ছিল—যেখানে বন্ধু বন্ধুদের বিপক্ষে এবং জন্মভূমির বিপক্ষে শিকড়ের দেশ লড়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।