Web Analytics

দেশের গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে সরকার কোনো শর্টকাট পথ দেখছে না বলে বিশেষ বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ খাতের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী এবং তদারক দলের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন। হঠাৎ সংকট বেড়ে যাওয়ার কারণ, ভাসমান টার্মিনাল মেরামতে বিলম্ব এবং প্রতিশ্রুত এলএনজি কার্গো না আসার বিষয়টি সেখানে ওঠে।

বৈঠকে বলা হয়, সংকটটি একদিনে তৈরি হয়নি; দীর্ঘ সময় নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধান কম হওয়ায় খাতটি আমদানিনির্ভর হয়েছে। সরকারি হিসাবে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা ৩,৮০০ এমএমসিএফডি, বিপরীতে সরবরাহ ছিল ২,১৯৫ এমএমসিএফডি। এর মধ্যে দেশীয় উৎস থেকে ১,৬২৫ এবং আমদানিকৃত এলএনজি থেকে ৫৭০ এমএমসিএফডি পাওয়া গেছে। ফলে ঘাটতি ছিল ১,৬০৫ এমএমসিএফডি।

প্রধানমন্ত্রী অভ্যন্তরীণ গ্যাস উৎপাদন বাড়ানো, জ্বালানি আমদানির বাধা দূর করা এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রের রক্ষণাবেক্ষণ জোরদারের নির্দেশ দেন। দেশে প্রায় ১২ হাজার মেগাওয়াট গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ সক্ষমতার মধ্যে গ্যাসের অভাবে ৭ হাজার মেগাওয়াট কেন্দ্র বন্ধ ছিল। জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে স্থায়ী সমাধানে তিন থেকে পাঁচ বছর লাগতে পারে।

Card image

Related Threads

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।