রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে দ্রুতগতির বালু ও মাটিবাহী ডাম্প ট্রাক জননিরাপত্তার বড় হুমকি হয়ে উঠেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। অপ্রাপ্তবয়স্ক বা অদক্ষ চালকেরাও কিছু ভারী যান চালাচ্ছেন, অথচ কার্যকর ট্রাফিক নজরদারির ঘাটতির অভিযোগ রয়েছে। পদ্মা নদী থেকে বৈধ ও অবৈধভাবে বালু তুলে জেলা ও আশপাশের এলাকায় সরবরাহ করা হচ্ছে; এতে নদীতীররক্ষা বাঁধও ঝুঁকিতে রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৫ থেকে ২০ টন ধারণক্ষমতার সড়কে প্রতিটি ট্রাকে ৩০ থেকে ৪০ টন বালু ও মাটি বহন করা হচ্ছে। গোদাগাড়ীর প্রেমতলী ও ফুলতলা বালুঘাট থেকে শত শত অতিরিক্ত বোঝাই ডাম্প ট্রাক চলাচলে মহাসড়ক, পিচঢালা স্থানীয় সড়ক ও গ্রামীণ রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বাসিন্দাদের ভাষ্য, উড়ন্ত বালু পথচারী, শিক্ষার্থী, মোটরসাইকেল আরোহী ও চালকদের চোখে-মুখে পড়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে; ধুলা, হর্ন ও কালো ধোঁয়ায় পরিবেশ ও স্বাস্থ্যও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
বিআরটিএ সূত্র বলেছে, রাজশাহী-চাঁপাই মহাসড়কে বছরে শতাধিক মানুষের প্রাণ ঝরে এবং বেপরোয়া যান চলাচল দুর্ঘটনার বড় কারণ। সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান বলেন, খোলা ট্রাক থেকে বালু ও কাদামাটি সড়কে পড়ে তা পিচ্ছিল করছে। ট্রাফিক সার্জেন্ট আমির হামজা জানান, আইন লঙ্ঘনে মামলা করা হয় এবং খোলা অবস্থায় বালু পরিবহন আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।