নিউইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। দুর্নীতি ও প্রভাবশালী লবির বিরুদ্ধে তার অবস্থান অনেক বিশ্লেষকের কাছে তাকে সাহসী নেতৃত্বের প্রতীক করে তুলেছে। সাম্প্রতিক ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে তার সমর্থিত তিন প্রার্থী ব্র্যাড ল্যান্ডার, ক্লেয়ার ভালদেজ ও দারিয়ালিজা আভিলা শেভালিয়ারের জয় তার রাজনৈতিক প্রভাবকে আরও স্পষ্ট করেছে। নিউইয়র্ক টাইমস তাকে ‘কিংমেকার’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
মেয়র হওয়ার পর মামদানি ফিলিস্তিন ইস্যুতে স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছেন। তিনি ইসরাইল ডে প্যারেডে অংশ নেননি এবং প্রো-ইসরাইল লবিং সংগঠন এআইপিএসির সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, কোনো ধর্মকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া রাষ্ট্রব্যবস্থাকে তিনি সমর্থন করেন না। তার প্রশাসনের দাবি, সার্বজনীন শিশুযত্ন কর্মসূচির জন্য ১.২ বিলিয়ন ডলার তহবিল, শ্রমিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য ৯ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ এবং ভাড়াটিয়াদের জন্য ৩১ মিলিয়ন ডলারের সমঝোতা নিশ্চিত করা হয়েছে।
পর্যবেক্ষকদের মতে, মামদানির নেতৃত্বে গড়ে ওঠা বহুধর্মীয় প্রগতিশীল জোট ভবিষ্যতে জাতীয় রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষ করে মিশিগান ও কলোরাডোতে অনুরূপ আন্দোলনের উত্থানের প্রেক্ষাপটে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।