ভারতের ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) দিল্লিতে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, নিহত পরীক্ষার্থীদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ এবং সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকের মুক্তির দাবিতে আন্দোলন জোরদারের ঘোষণা দিয়েছে। সিজেপি নেতা অভিজিৎ দীপক জানান, পুলিশের বাধা সত্ত্বেও যন্তর মন্তরে আন্দোলন চলবে। সোমবার পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে শতাধিক মানুষ আহত হন, এক তরুণীর অবস্থা আশঙ্কাজনক।
ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসও আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। এ সময় রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ কয়েকজন শীর্ষ নেতা আটক হন। রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেন, সরকার শিক্ষার্থীদের কণ্ঠরোধ করছে এবং মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন। অন্যদিকে মোদি প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। সরকারি সূত্র জানিয়েছে, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সংলাপের পথ খোলা আছে, তবে সময় নির্ধারিত হয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, শিক্ষার্থীদের ব্যাপক সমর্থন ও বিরোধী দলের অংশগ্রহণে আন্দোলন নতুন মাত্রা পেয়েছে, যা মোদি সরকারের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।