আজ ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ব পর্যটন দিবসে নানা প্রস্তুতি থাকলেও বান্দরবানের পর্যটনশিল্পের বিভিন্ন সংকট সামনে এসেছে। নীলাচল, মেঘলা, শৈলপ্রপাত, নীলগিরি, চিম্বুক, কেওক্রাডং ও বগা লেকসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান দেখতে প্রতি বছর লাখো পর্যটক আসেন। কিন্তু সূর্যাস্তের পর পরিকল্পিত বিনোদনকেন্দ্র না থাকায় বিশেষত স্বল্পমেয়াদি সফরে আসা পর্যটকদের হোটেল বা রেস্তোরাঁয় সময় কাটাতে হয়।
পর্যটন ব্যবসায়ীরা উন্নত সুবিধা গড়ে না ওঠার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয়হীনতাকে দায়ী করেছেন। বান্দরবান হোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন বলেন, পর্যটক, স্থানীয় নাগরিক ও শিশুদের জন্য এখানে কোনো অ্যামিউজমেন্ট পার্ক বা মানসম্মত ওয়াকওয়ে নেই। পৌরসভা পরিচালিত পার্কটিও ছোট পরিসরের। তিনি জেলা প্রশাসন, জেলা পরিষদ ও পৌরসভার যৌথ উদ্যোগে আধুনিক পার্ক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণের দাবি জানান।
স্থানীয়দের মতে, ১১টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতি, খাবার, নৃত্য-গীত ও হস্তশিল্পকে ঘিরে সন্ধ্যাকালীন আয়োজন গড়ে তোলা সম্ভব। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও পৌর প্রশাসক এসএম মনজুরুল হক বলেন, বড় সুবিধা একা পৌরসভার পক্ষে নিশ্চিত করা সম্ভব নয়; পার্বত্যমন্ত্রী বা পার্বত্য জেলা পরিষদের যৌথ উদ্যোগ প্রয়োজন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।