কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার মসলেমপুর এলাকায় ৪৬ বছর আগে গঙ্গা বাঁধ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর এবার রাজবাড়ীর পাংশা পয়েন্টে পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এতে ক্ষুব্ধ ভেড়ামারার মানুষ প্রকল্পটি পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ এই ব্যারাজে থাকবে ৭৮টি স্পিলওয়ে গেট, ১৮টি আন্ডার স্লুইসগেট ও একটি নেভিগেশন লক। ব্যারাজের ওপর দিয়ে রেলসেতু নির্মাণ এবং ১১৩ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনাও রয়েছে। প্রকল্পটি দেশের চারটি বিভাগের ১৯টি জেলার ১২০টি উপজেলা উপকৃত করবে।
একনেকের সভায় প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকার প্রথম ধাপের প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। দুই ধাপে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৫০ হাজার ৪৪৩ কোটি টাকা। ১৯৮০ সালে গঙ্গা বাঁধ প্রকল্পের লক্ষ্য ছিল দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে সেচ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশ উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভারতের সঙ্গে গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের ডিসেম্বরে শেষ হচ্ছে, এমন প্রেক্ষাপটে পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ বাংলাদেশের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।