ওমানের মধ্যস্থতায় জেনেভায় পরমাণু আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের রাজধানী তেহরানসহ অন্তত ২৪টি শহরে যৌথ বিমান হামলা চালায়। ইরানি রেড ক্রিসেন্টের তথ্য অনুযায়ী, এসব হামলায় ২০১ জন নিহত ও ৭৪৭ জন আহত হয়েছেন। সবচেয়ে ভয়াবহ হামলা হয়েছে মিনাব শহরের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে, যেখানে ৮৫ জন প্রাণ হারান। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ও প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান নিরাপদ আছেন বলে জানা গেছে, যদিও ইসরাইল দাবি করেছে, তাদের হামলায় ইরানের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।
হামলার জবাবে ইরান ইসরাইলের বিভিন্ন শহর ও মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। এতে ইরাক, সিরিয়া ও উপসাগরীয় দেশগুলোতেও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। সংঘাতের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ বন্ধ হয়ে গেছে এবং ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে, যা বৈশ্বিক তেলের বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু হামলাকে আত্মরক্ষামূলক পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
জাতিসংঘ, চীন, ফ্রান্স, তুরস্ক ও রাশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ উভয় পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের পাল্টা হামলার নিন্দা জানিয়ে সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।