বাব আল-মান্দেব প্রণালির আশপাশে সৌদি সমর্থিত ইয়েমেনি সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে হুতি বিদ্রোহীদের অভিযানের পর মোচা শহর দখল ও প্রণালিটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে প্রতিবেদনে। হামলার সময় হুতিরা সৌদি আরবের বিভিন্ন শহর ও তেল স্থাপনায় আঘাত হানে। এর ফলে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকার পর বাব আল-মান্দেব দিয়েও সৌদির তেল রপ্তানি বন্ধ হয়ে যায়।
দুই মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে এক্সিওস জানিয়েছে, হুতি অবস্থানে বিমান হামলার জন্য সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান দুইবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অনুরোধ করেছিলেন। কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং তাঁর প্রশাসন আপাতত সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের পরিকল্পনা করছে না। এ পরিস্থিতিতে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির কার্যকারিতা আলোচনায় এসেছে।
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বলেছেন, সৌদি আরবের বিরুদ্ধে উসকানিবিহীন আগ্রাসন হলে বা ইয়েমেন সংঘাত সৌদি ভূখণ্ডে ছড়িয়ে পড়লে চুক্তি কার্যকর হবে। পাকিস্তান ইরানকে হুতিদের সংযত রাখার আহ্বান জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইয়েমেনে পাকিস্তানি বাহিনীর সরাসরি হামলার সম্ভাবনা কম; তবে কূটনৈতিক চাপ, সৌদি প্রতিরক্ষা সহায়তা এবং বাব আল-মান্দেবের নিরাপত্তায় বহুজাতিক নৌজোটের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।