আমেরিকা ও ইসরাইলের হামলার পর ইরান বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে, তবে চীনে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল রপ্তানি অব্যাহত রেখেছে। সিএনবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্যাংকার ট্র্যাকার্সের তথ্য অনুযায়ী ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরান অন্তত এক কোটি ১৭ লাখ ব্যারেল তেল প্রণালি দিয়ে চীনে পাঠিয়েছে। শিপিং গোয়েন্দা সংস্থা কেপলারের হিসাবেও রপ্তানির পরিমাণ প্রায় এক কোটি ২০ লাখ ব্যারেল। আন্তর্জাতিক সমুদ্র সংস্থা জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর প্রণালিতে অন্তত ১০টি জাহাজ ইরানের আক্রমণের শিকার হয় এবং সাতজন নাবিক নিহত হন।
তেহরান হুমকি দিলেও খার্গ দ্বীপ টার্মিনাল থেকে ৯০ শতাংশ রপ্তানি অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি ওমান উপসাগরের পাশে জাস্ক টার্মিনালে নতুন করে তেল লোড শুরু হয়েছে, যা বিকল্প রুট হিসেবে বিবেচিত। বিশ্লেষকদের মতে, চীন ইরানের প্রধান ক্রেতা হিসেবে ফেব্রুয়ারিতে দৈনিক ২১ লাখ ৬০ হাজার ব্যারেল তেল আমদানি করেছে, যা ২০১৮ সালের পর সর্বোচ্চ। বছরের প্রথম দুই মাসে দেশটি তেল আমদানি ১৫ দশমিক ৮ শতাংশ বাড়িয়েছে।
সরবরাহ বিঘ্নের আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম রেকর্ড পরিমাণ বেড়েছে, আর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জাহাজগুলোকে সাহসিকতার সঙ্গে প্রণালি অতিক্রমের আহ্বান জানিয়েছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।