ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে সংঘাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে, যেখানে দেশটি স্যাটুরেশন কৌশল ব্যবহার করে উপসাগরীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে বিভ্রান্ত করেছে এবং তাদের সীমাবদ্ধতা উন্মোচন করেছে। আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন নেতৃত্বাধীন হামলার পর ইরান ব্যাপক ড্রোন, ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে সামরিক ঘাঁটি, বিমানবন্দর ও জ্বালানি অবকাঠামোতে আঘাত হানে, যার ফলে বেসামরিক এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে দুবাই বিমানবন্দরের কাছে ড্রোন হামলায় আহতের ঘটনা ঘটে এবং শিপিং রুট ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হরমুজ প্রণালিতে আক্রমণ বিশ্বব্যাপী তেল পরিবহন ব্যাহত করে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ ইরানকে হামলা বন্ধের আহ্বান জানালেও ইরান তা প্রত্যাখ্যান করে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সতর্ক করেছে যে এসব হামলা মানবিক ও পরিবেশগত ঝুঁকি বাড়াচ্ছে, আর ইউরোপীয় নেতারা শক্তি নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক আইনের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
আটলান্টিক কাউন্সিলের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ইরানের বিকেন্দ্রীকৃত ও মডুলার আক্রমণ কৌশল আধুনিক যুদ্ধের নতুন ধারা তৈরি করছে, যা উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রতিরক্ষা ব্যয় ও কৌশলগত স্থিতিশীলতাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।