লেবাননে যুদ্ধবিরতির খবরকে কেন্দ্র করে ইসরাইলের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ক্ষমতাসীন জোটের সদস্যরাও বিরোধী দলের সঙ্গে একযোগে এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছেন। বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহরতলি দাহিয়াহসহ লেবাননে আক্রমণ বন্ধের সিদ্ধান্তকে তাঁরা নেতানিয়াহুর ‘নতি স্বীকার’ হিসেবে দেখছেন। জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গ্যভির ও অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ লেবাননে আরও কঠোর সামরিক পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন সাধারণ নির্বাচনই এই রাজনৈতিক দূরত্বের মূল কারণ। নেতানিয়াহু জনগণকে যে লক্ষ্য অর্জনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বীরা যুদ্ধবিরতিকে ‘কৌশলগত ব্যর্থতা’ হিসেবে তুলে ধরছেন। এমনকি জোটের শরিকরাও এখন দাবি করছেন, নেতানিয়াহু রাজনৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছেন এবং মার্কিন প্রশাসনের কাছেও আগের মতো গ্রহণযোগ্য নন। অক্টোবরের নির্বাচনের আগে এই পরিস্থিতিকে কাজে লাগাতে মরিয়া সব পক্ষ।
কিছু বিশ্লেষক মনে করছেন, নেতানিয়াহু হয়তো পুরনো কৌশল অবলম্বন করে নির্বাচনের সময় পিছিয়ে দিতে বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ বা নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।