Web Analytics

বিরোধী দলের তীব্র প্রতিবাদ, আপত্তি ও ওয়াকআউটের মধ্যেই রোববার রাতে সংসদে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস হয়েছে। বিলগুলো হলো গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল ২০২৬, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল ২০২৬ এবং সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল ২০২৬। মানবাধিকার-সংক্রান্ত দুটি বিল উত্থাপনের আগে বিরোধীরা কক্ষ ত্যাগ করে এবং সম্পত্তিবিষয়ক বিলের সময়ও আপত্তি জানিয়ে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য বেরিয়ে যায়।

জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধী দলগুলো মানবাধিকার কমিশন ও গুম-সংক্রান্ত বিলকে দুর্বল বলে আখ্যা দিয়েছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোও দুটি বিল নিয়ে সমালোচনা ও উদ্বেগ জানিয়েছিল। রাত ৮টা ১০ মিনিটে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান ফ্লোর নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ওয়াকআউটের ঘোষণা দেন। এর আগে ২৭ আগস্ট বিল দুটি সংসদে উত্থাপনের সময়ও বিরোধীরা ওয়াকআউট করে এবং পরে সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটির আলোচনা বর্জন করে।

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনে গুমের ঘটনার তদন্তের মূল দায়িত্ব পুলিশকে দেওয়া হয়েছে এবং সাধারণত উপপরিদর্শক পদমর্যাদার নির্দিষ্ট কর্মকর্তা মামলা তদন্ত করবেন। অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশে এ তদন্তের সরাসরি ক্ষমতা জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে দেওয়া হয়েছিল। নতুন মানবাধিকার কমিশন আইন বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সরাসরি তদন্তে কমিশনের ক্ষমতা সীমিত করেছে। সম্পত্তি আইনে নির্দিষ্ট পারিবারিক দানের ক্ষেত্রে দাতা আজীবন সম্পত্তি ব্যবহার ও ভোগদখলের অধিকার রাখবেন।

Card image

Related Threads

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।