‘আমার দেশ’-এ প্রকাশিত একটি মতামতধর্মী লেখায় খালেদা জিয়াকে তরুণদের অনুপ্রেরণার রাজনৈতিক প্রতীক হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়েছে। ১৫ আগস্ট ২০২৬, তাঁর মৃত্যুর পর প্রথম জন্মদিন উপলক্ষে প্রকাশিত লেখাটিতে বলা হয়, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পরিচয়ের বাইরে তাঁর দৃঢ়তা, আত্মমর্যাদা ও প্রতিরোধের মানসিকতা তরুণদের কাছে বিশেষ আবেদন তৈরি করেছিল। লেখক তাঁকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক কল্পনার অংশ হয়ে ওঠা বিরল নেতাদের একজন হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
লেখাটিতে এরশাদবিরোধী আন্দোলনে তাঁর ভূমিকা এবং ‘আপসহীন নেত্রী’ ভাবমূর্তির কথা তুলে ধরা হয়েছে। লেখকের মতে, জাতীয় মর্যাদা, স্বাধীন সিদ্ধান্ত ও জাতীয় স্বার্থ নিয়ে তাঁর রাজনৈতিক ভাষা বহু তরুণের আত্মপরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল। হাসিনা সরকারের দীর্ঘ শাসনামলে মামলা, কারাবাস, অসুস্থতা ও রাজনৈতিক চাপের মধ্যেও তাঁর অবস্থান ধরে রাখার বিষয়টিও আলোচিত হয়েছে। তবে লেখাটি তাঁর রাজনীতিকে বিতর্কমুক্ত বলেনি; সংঘাত, রাজনৈতিক সহিংসতা, দলীয়করণ ও প্রশাসনিক দুর্বলতার প্রশ্নও উল্লেখ করেছে।
লেখায় বলা হয়, ১৯৯১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত পাঁচটি জাতীয় নির্বাচনে খালেদা জিয়া ২৩টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সবকটিতে জয়ী হন। লেখক তাঁর উত্তরাধিকারকে ভোটের অধিকার, গণতন্ত্র, সাহস ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর মানসিকতার সঙ্গে যুক্ত করেছেন। জুলাই আন্দোলনের সব তরুণকে এক রাজনৈতিক পরিচয়ে দেখার বিষয়ে সতর্কতা জানিয়ে লেখাটি বলেছে, অংশবিশেষ তাঁর লড়াকু চরিত্র থেকে অনুপ্রেরণা পেয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।