আপ বাংলাদেশের নেতা রাফে সালমান রিফাত ফেসবুকে লেখেন, সাদিক কায়েম, নাহিদ, মাহফুজ, জুনায়েদ কেউ কারোর ইমাম ছিল না। এখানে কোনো একক ইমাম নেই। শহিদ-আহতদের ত্যাগের মধ্য দিয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলন গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নেয়। তিনি লেখেন, ‘একইসঙ্গে এটা ছিল খুনি হাসিনার নিজের হাতের কামাই। তার জুলুমের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণের স্বতঃস্ফূর্ত ঐক্যমত্যের ফলাফল।’ রিফাত বলেন, ৫ আগস্টের পর নানা প্রকারে একপাক্ষিক বা একক ইমাম নেতৃত্ব আরোপের প্রচেষ্টাতেই অনৈক্য, অবিশ্বাস আর বিভেদ জন্ম নিয়েছে। আরো বলেন, ড. ইউনুস শুরু থেকে আজ পর্যন্ত গোটা ছাত্র-জনতাকে দেখেছেন মাহফুজ-নাহিদদের লেন্স দিয়ে। কালেক্টিভ নেতৃত্বের বাকিরা তথা সাদিক কায়েম, হাসনাত আব্দুল্লাহ, আলী আহসান জুনায়েদ, সিবগাতুল্লাহ বা ছাত্রদলের রাকিব-নাসিরদের লেন্স সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টা এখনও অন্ধকারে। যদি জ্ঞাত হতেন, তাহলে গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দানকারী ছাত্রদের সমন্বয়হীনতার এতটা প্রকট সংকট এত দ্রুত তৈরি হতো না।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।