যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী ও সিনেট নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে মিশিগানের ডেমোক্রেটিক সিনেট প্রার্থী ড. আবদুল আল-সাইয়েদকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র হয়েছে। নির্বাচিত হলে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সিনেটর হতে পারেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ শীর্ষ রিপাবলিকান নেতারা তার নীতি ও কর্মসূচির বদলে ধর্মীয় পরিচয় এবং বিশ্বাসকে লক্ষ্য করে আক্রমণ করছেন।
মিশিগানের রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সের পক্ষে এক জনসমাবেশে ট্রাম্প আল-সাইয়েদকে ‘মুসলিম ব্রাদারহুডের জিহাদি সদস্য’ ও ‘জিহাদি উন্মাদ’ বলে আখ্যা দেন। তিনি বলেন, সিনেটে গেলে আল-সাইয়েদকে প্রতিদিন মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশি করা উচিত। ট্রাম্প আরও দাবি করেন, তার নির্বাচিত হওয়ায় খ্রিষ্টানদের বড়দিন পালন অসম্ভব হবে এবং কৃষ্ণাঙ্গ ও ইহুদি ভোটারদের তাকে ভোট না দেওয়ার আহ্বান জানান।
টেক্সাসের সিনেটর টেড ক্রুজ আল-সাইয়েদকে ‘জিহাদি লেপ্রিকন’ বলে ব্যঙ্গ করেন। ওহাইওর সিনেটর বার্নি মোরেনো বলেন, তার মতো কারও ওয়াশিংটন ডিসির কাছে থাকা উচিত নয়। আল-সাইয়েদ এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে চরমপন্থার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানান। সাবেক জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেন, স্বাস্থ্যসেবা, দ্রব্যমূল্য ও করপোরেট সিন্ডিকেটের মতো নীতিগত বিষয়ে যুক্তির অভাবেই রিপাবলিকানরা তার নাম ও ধর্মকে অস্ত্র বানাচ্ছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।