চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল নেতা মাসুদুল হক চৌধুরী হত্যার দুই দিন পার হলেও এখনো কোনো মামলা হয়নি এবং কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে কয়েকজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। গত ১৪ জুন দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে পাহাড়তলি ইউনিয়নের চৌমুহনি চত্বরের আশরাফিয়া ফার্মেসির সামনে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা তাকে গুলি করে হত্যা করে।
নিহত মাসুদ রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ অনুসারী ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ছয় থেকে সাতজন সন্ত্রাসী সিএনজিচালিত অটোরিকশায় এসে কাছ থেকে ৮–১০ রাউন্ড গুলি চালায়। তার বড় ভাই স্বপন চৌধুরী বলেন, মাসুদের কোনো অপরাধ ছিল না এবং তিনি হত্যার বিচার চান।
পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, বালু উত্তোলন ব্যবসা বা আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা নিয়ে বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। হত্যার পর এলাকায় বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ হয়, বর্তমানে সেখানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।