কিশোরগঞ্জের ভৈরব শহরের কালীপুর এলাকায় আহিল পেট্রোলিয়াম লিমিটেড পরিত্যক্ত পলিথিন ও প্লাস্টিক থেকে ডিজেল, পেট্রোল, অকটেন ও গ্যাস উৎপাদন করছে। উদ্যোক্তা ইউসুফ আহমেদ গালিব জানান, থাইল্যান্ডভিত্তিক সেপকো কোম্পানির প্যাটার্ন এবং বাংলাদেশের অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন বা এটুআইয়ের দিকনির্দেশনায় ২০১৮ সালের আগস্টে প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়। বর্তমানে কারখানাটি প্রতিদিন এক হাজার কেজি বর্জ্য পলিথিন প্রক্রিয়াজাত করে প্রায় ৫০০ লিটার জ্বালানি তেল সংগ্রহ করছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও উপজেলা প্রশাসন উদ্যোগটিকে স্বাগত জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, সহজে পচনশীল না হওয়া পলিথিন ও প্লাস্টিক বর্জ্য নদী-নালা, খাল-বিল, ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং ভূমির উর্বরতার জন্য হুমকি তৈরি করে। জ্বালানি তেল ও গ্যাস উৎপাদনের প্রক্রিয়া দেখতে প্রতিদিন নতুন কারখানাটিতে মানুষের ভিড় হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে।
কারখানায় উৎপাদিত গ্যাস বর্তমানে আলাদাভাবে সংগ্রহ না করে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ছাই বা কালো কার্বনও সংগ্রহ করা হচ্ছে, যা দিয়ে প্রিন্টারের কালি তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। বাংলাদেশ শিল্প ও বিজ্ঞান গবেষণা পরিষদের মান নির্ণয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রতিবেদনে জ্বালানিটির মান ৯৩.৫৬ এবং স্বাভাবিক জ্বালানির চেয়ে ১.৫৬ শতাংশ বেশি জ্বালানিক্ষমতার কথা বলা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে এম মামুনুর রশীদ প্রশাসনিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।