সিএনএনের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে জানা গেছে, ইরানের টানা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্তত আটটি দেশে অবস্থিত ১৬টি মার্কিন সামরিক স্থাপনা গুরুতর ক্ষতির মুখে পড়েছে। কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা এসব হামলা যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক সামরিক উপস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। কুয়েতের গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি ‘ক্যাম্প পিউরিং’, যেখানে হাজার হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করত, সেটিও হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সরঞ্জাম যেমন বোয়িং ই-৩ সেন্ট্রি নজরদারি বিমান, রাডার ও যোগাযোগ ব্যবস্থা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এসব সরঞ্জাম প্রতিস্থাপন করা ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ। পেন্টাগন সূত্রে জানা গেছে, নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ঘাঁটিগুলো থেকে ৯০ শতাংশেরও বেশি মার্কিন কর্মী সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই হামলার পরিসর ও প্রভাব ইরাক বা আফগানিস্তানে মার্কিন বাহিনীর পূর্ববর্তী ক্ষয়ক্ষতির তুলনায় অনেক বেশি, যা উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি নিয়ে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।