তীব্র লোডশেডিং, জ্বালানি সংকট ও বিদ্যুৎ সরবরাহের অনিশ্চয়তার মধ্যে বাংলাদেশ সৌরবিদ্যুৎকে সম্ভাব্য সমাধান হিসেবে গুরুত্ব দিচ্ছে। সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানির পাশাপাশি ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ, ব্যাটারি সংরক্ষণ, নেট মিটারিং ও স্মার্ট প্রযুক্তি এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে অন্তত ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য রয়েছে। সংসদে বলা হয়েছে, একই সময়ে বিদ্যুতের চাহিদা ২৪ হাজার থেকে ২৫ হাজার মেগাওয়াটে পৌঁছাতে পারে।
দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনের বড় অংশ গ্যাস ও আমদানিকৃত জ্বালানিনির্ভর হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারের দাম বৃদ্ধি বা সরবরাহ বিঘ্নের প্রভাব পড়ে। সৌরবিদ্যুৎ আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে জ্বালানি নিরাপত্তা বাড়াতে পারে। তবে রাতে উৎপাদন বন্ধ থাকে এবং মেঘলা আবহাওয়ায় তা কমে যায়। তাই ব্যাটারি সংরক্ষণ, শক্তিশালী জাতীয় গ্রিড এবং অন্যান্য বিদ্যুৎ উৎসের সঙ্গে সমন্বয়কে জরুরি বলা হয়েছে।
ডিস্ট্রিবিউটেড রিনিউএবল এনার্জি প্ল্যাটফর্মের হিসাবে, ব্যাপক গৃহস্থালি গ্রহণে ২১ হাজার ৩০০ মেগাওয়াট সৌর সক্ষমতা তৈরি হয়ে জাতীয় চাহিদার প্রায় ৩৫ শতাংশ পূরণ হতে পারে। বর্তমানে নেট মিটারিংয়ের আওতায় ৪ হাজার ৫৫১টি ব্যবস্থার মোট সক্ষমতা ২১৩ দশমিক ৩ মেগাওয়াট; এর ৬০ দশমিক ৪ শতাংশ ঢাকা বিভাগে। সম্প্রসারণে বিনিয়োগ, সহজ ঋণ, দ্রুত গ্রিড সংযোগ, দক্ষ জনবল ও স্থিতিশীল নীতি প্রয়োজন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।