যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত থেকে বেরিয়ে আসার আগ্রহ দেখাচ্ছেন এবং এটিকে ‘ধীরে ধীরে শেষ করা’ তার লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেছেন। তবে তার কৌশল এখনো অস্পষ্ট। মঙ্গলবার পেন্টাগন উপসাগরীয় অঞ্চলে স্থল সেনা পাঠানোর নির্দেশ দেয়, একই সময়ে মার্কিন মধ্যস্থতাকারীরা তেহরানের কাছে ১৫ দফা শান্তি প্রস্তাব পেশ করে। পরদিন হোয়াইট হাউস ইরানকে প্রস্তাবটি গ্রহণের আহ্বান জানায় এবং অস্বীকার করলে কঠোর হামলার হুমকি দেয়। ইরান প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করে, ফলে দুই দেশের মধ্যে প্রকৃত কূটনৈতিক আলোচনা চলছে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
প্রশাসনের ভেতরে উদ্বেগ বাড়ছে যে ট্রাম্পের কোনো সুস্পষ্ট পরিকল্পনা নেই। প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেন, প্রেসিডেন্ট আঘাত হানতে প্রস্তুত, অন্যদিকে রিপাবলিকান নেতারা স্থল সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়েছেন। শান্তি প্রস্তাবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ত্যাগ, ক্ষেপণাস্ত্র সীমিতকরণ এবং হরমুজ প্রণালী পুনরায় খোলার দাবি ছিল। তেহরান এসব শর্ত প্রত্যাখ্যান করে জানায়, যুদ্ধের গতিপথ তাদের নিয়ন্ত্রণে।
হরমুজ প্রণালিতে হামলা অব্যাহত থাকায় তেল ও গ্যাসের দাম বেড়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের মিত্ররা সহায়তায় সাড়া দেয়নি, ফলে অঞ্চলের নিরাপত্তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।