Web Analytics

কারিগরি ত্রুটির কারণে একটি এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ থাকায় ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় আবাসিক গ্যাস সংকট তীব্র হয়েছে। ২৫ জুলাই প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সপ্তাহের জলাবদ্ধতার পর কিছু এলাকায় গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি, মিরপুর, রামপুরা, পুরান ঢাকাসহ বহু এলাকায় চুলা জ্বলছে না বা চাপ খুব কম। গ্যাস না পেলেও গ্রাহকদের নিয়মিত বিল দিতে হচ্ছে এবং অনেককে এলপিজি সিলিন্ডার বা বাইরে থেকে খাবার কিনতে অতিরিক্ত খরচ করতে হচ্ছে।

২৪ জুলাই জুমার নামাজের পর মোহাম্মদপুর আল্লাহ করিম মসজিদের সামনে স্থানীয়রা মানববন্ধন করেন। তারা স্থায়ী সমাধান, নিরবচ্ছিন্ন সেবা ছাড়া বিল নেওয়া বন্ধ, তিতাসের গাফিলতি বন্ধ এবং অবৈধ সংযোগ বন্ধের দাবি জানান। মিরপুর-১৩-এর বাসিন্দারা জানান, জলাবদ্ধতার পর গ্যাস আর আসছে না; ভাড়াটিয়াদের খাবার কিনে খেতে হচ্ছে। গ্যাস সংকট ঢাকা ছাড়িয়ে সাভার, গাজীপুর, নরসিংদী ও ময়মনসিংহের কারখানাতেও প্রভাব ফেলেছে।

জ্বালানি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, মোট প্রায় ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট সক্ষমতার বিপরীতে দৈনিক ২ হাজার ৭০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে। টার্মিনাল বন্ধ থাকায় মঙ্গলবার থেকে জাতীয় গ্রিডে প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট সরবরাহ কমেছে। তিতাস বলেছে, শনিবার দুপুর থেকে এলএনজি চালু হলে চাপ ধীরে ধীরে বাড়তে পারে এবং সংকট কাটতে আরও দু-একদিন লাগতে পারে। বিশেষজ্ঞরা দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও রেশনিং নীতির পরামর্শ দিয়েছেন।

Card image

Related Threads

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।