যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস কানাডার রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে আগামী ৩ নভেম্বরের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করার অভিযোগ তুলেছে। বুধবার প্রকাশিত এক তথ্যপত্রে দূতাবাস বলেছে, কানাডার কর্মকর্তাদের বক্তব্য, বৈঠক ও বাণিজ্যসংক্রান্ত পদক্ষেপ নিয়ে ওয়াশিংটন উদ্বিগ্ন। তবে কানাডার কর্মকর্তারা এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, মার্কিন রাজনীতিকদের সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগের উদ্দেশ্য বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং কানাডার অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা।
তথ্যপত্রে শিল্পমন্ত্রী মেলানি জোলির এমন বক্তব্য উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে তিনি পাল্টা শুল্কের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক চাপ তৈরির জন্য কৌশলগতভাবে এগোনোর কথা বলেছিলেন। বোস্টন ও শিকাগোতে ডেমোক্র্যাট নেতাদের সঙ্গে তাঁর বৈঠক নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে দূতাবাস। জোলি বলেন, কানাডা কখনোই যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করবে না এবং তিনি দুই দলের রাজনীতিকদের সঙ্গেই বৈঠক করেছেন। এতে অন্টারিওর মুখ্যমন্ত্রী ডাগ ফোর্ডের শুল্কবিরোধী বিজ্ঞাপন এবং এমপি অ্যান্থনি হাউসফাদারের কর্মকাণ্ডও উল্লেখ করা হয়।
তবে এসব উদাহরণ কীভাবে নির্বাচনী হস্তক্ষেপের শামিল, তা দূতাবাস ব্যাখ্যা করেনি। ২০১২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে অবৈধভাবে ভোট দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত বা দণ্ডিত ১১ কানাডীয় নাগরিকের নামও দেওয়া হয়েছে, কিন্তু তাঁদের সঙ্গে কানাডা সরকারের কোনো যোগসূত্রের প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। রাষ্ট্রদূত পিট হোকস্ট্রা বলেন, ওয়াশিংটন কানাডার কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করছে এবং তা হস্তক্ষেপের পর্যায়ে গেলে যুক্তরাষ্ট্র জবাব দেবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।