Web Analytics

ক্রেমলিন শুক্রবার জানিয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরানবিরোধী যুদ্ধের ফলে রুশ তেল ও গ্যাসের বৈশ্বিক চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এই ঘোষণা আসে একদিন পর, যখন মার্কিন ট্রেজারি ভারতকে সমুদ্রে আটকে থাকা রুশ তেল কেনার জন্য ৩০ দিনের ছাড় দেয়। যুদ্ধের সপ্তম দিনে এসে হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে, যা বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটিয়েছে। ক্রেমলিন মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, রাশিয়া নির্ভরযোগ্য সরবরাহকারী হিসেবে সব চুক্তিবদ্ধ সরবরাহ বজায় রাখতে সক্ষম, তবে ভারতের জন্য সম্ভাব্য রপ্তানি পরিমাণ প্রকাশ করেননি।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ফাতিহ বিরোল সতর্ক করেছেন যে রুশ গ্যাসের ওপর পুনরায় নির্ভরতা অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে ভুল হবে। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেয়েন উচ্চ জ্বালানি মূল্যের মোকাবিলায় আসন্ন ইইউ সম্মেলনে বিকল্প প্রস্তাব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এদিকে, কাতারের জ্বালানি মন্ত্রী সাদ আল-কাবি ফাইনান্সিয়াল টাইমসকে বলেছেন, যুদ্ধ চলতে থাকলে উপসাগরীয় দেশগুলো রপ্তানি বন্ধ করতে পারে, ফলে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ ডলার এবং গ্যাসের দাম প্রতি মিলিয়ন বিটিইউ ৪০ ডলারে পৌঁছাতে পারে।

শুক্রবার মার্কিন ক্রুড তেলের দাম ৪.১ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮৪.৩৬ ডলারে পৌঁছায়, আর ব্রেন্ট ক্রুড ১.৭ শতাংশ বেড়ে ৮৭ ডলারে পৌঁছায়, যা এপ্রিল ২০২৪-এর পর সর্বোচ্চ স্তরের কাছাকাছি।

Card image

Related Threads

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।