বাংলাদেশের পারচেজিং ম্যানেজার্স’ ইনডেক্স বা পিএমআই আগস্টে জুলাইয়ের তুলনায় ৭.৯ পয়েন্ট কমে ৪৯.৯-এ নেমেছে, যা সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সামান্য সংকোচনের ইঙ্গিত দেয়। মঙ্গলবার মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, ঢাকা এবং পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ প্রকাশিত প্রতিবেদনে উৎপাদন ও সেবা খাতের ধীরগতিকে এই পতনের প্রধান কারণ বলা হয়েছে। উৎপাদনে তীব্র পতন হয়েছে এবং ২২ মাস পর সেবা খাতও সংকোচনে গেছে।
কৃষি খাত টানা দ্বাদশ মাসে সম্প্রসারণ ধরে রেখেছে; নতুন ব্যবসা, কার্যক্রম ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে এর পিএমআই ১.৩ পয়েন্ট বেড়ে ৫৬.৫ হয়েছে। নির্মাণ খাত ৫২.৪-এ উঠে আবার সম্প্রসারণে ফিরেছে। উৎপাদন খাত ১৮.০ পয়েন্ট কমে ৪৭.৪-এ নেমেছে; নতুন অর্ডার, রপ্তানি অর্ডার, উৎপাদন, মজুত, আমদানি ও কর্মসংস্থান সংকুচিত হয়েছে। সেবা খাতের পিএমআই জুলাইয়ের চেয়ে ৬.৮ পয়েন্ট কমে ৪৯.২ হয়েছে।
উত্তরদাতারা ভবিষ্যৎ নিয়ে সতর্ক হলেও ইতিবাচক প্রত্যাশা প্রকাশ করেছেন এবং সহজ অর্থায়ন, উন্নত জ্বালানি সরবরাহ, কম পরিচালন ব্যয় ও সহায়ক করনীতির দাবি তুলেছেন। পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও সিইও ড. এম মাসরুর রিয়াজ বলেন, কৃষির সম্প্রসারণ ও নির্মাণের পুনরুদ্ধার অর্থনীতির স্থিতিস্থাপকতার ইঙ্গিত দেয়। তিনি উৎপাদনের দুর্বলতার পেছনে কম মাসিক রপ্তানি ও এলএনজি অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণজনিত সাময়িক জ্বালানি বিঘ্নের কথা উল্লেখ করেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।