জুলাই বিপ্লবে আহত হয়ে মারা যাওয়া বগুড়ার সুলতানগঞ্জ পাড়ার ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী জুনাইদ ইসলাম রাতুলের পরিবার দুই বছর পরও শোক ও অনিশ্চয়তায় আছে। ১৩ বছর বয়সী রাতুল ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বগুড়া সদর থানার দিকে যাওয়া একটি মিছিলে পুলিশের গুলিতে আহত হয় বলে পরিবারের ভাষ্য। দীর্ঘ ৪৬ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ২৩ সেপ্টেম্বর ভোরে তার মৃত্যু হয়।
পরিবার জানায়, গুলিতে রাতুলের শরীর ঝাঁঝরা হয়ে গেলে আন্দোলনকারীরা তাকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল হাসপাতালে নেন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাবা জিয়াউর রহমান বলেন, তাঁর ছেলে কোনো অপরাধ করেনি এবং পরিবার এখনো হত্যার সঠিক বিচার পায়নি। তিনি জুলাই শহীদ পরিবারগুলোর খোঁজখবর কম নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন।
জিয়াউর রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, পরিবারটি ২০২৪ সালের ঈদে উপহার এবং ২৫ সেপ্টেম্বর জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা পেয়েছিল; রাজনৈতিক নেতারাও আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, পরিবার প্রতি সপ্তাহে রাতুলের জন্য দোয়ার আয়োজন করে এবং দ্রুত বিচার চায়। জুলাই শহীদ পরিবার সোসাইটির উজ্জ্বল হোসেন জুবায়েল বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবার আর্থিক, মানসিক ও সামাজিক সংকটে রয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।