২০২৫ সালের শুরুতে দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প একের পর এক নির্বাহী আদেশ জারি করেন। তিনি জো বাইডেনের সময়ের ৭৮টি আদেশ বাতিল করেন, যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে প্রত্যাহার করেন এবং পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেন। একই সঙ্গে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার ও অভিবাসন সুবিধা স্থগিতের নির্দেশ দেন। ট্রাম্প প্রশাসন সব আমদানির ওপর ১০ শতাংশ এবং ৫৭টি দেশের পণ্যের ওপর সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্কারোপ করে, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে অস্থিরতা সৃষ্টি করে।
বিদেশনীতি ক্ষেত্রেও ট্রাম্পের পদক্ষেপে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তিনি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামানোর চেষ্টা করেন, গাজায় যুদ্ধবিরতি আনেন এবং ইরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলা চালান। ২০২৬ সালের শুরুতে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে এনে নিউ ইয়র্কে নেওয়া হয়। পাশাপাশি ইরানের নেতৃত্বকে হুমকি দেন এবং গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের ইচ্ছা প্রকাশ করেন, যদিও পরে তা থেকে সরে আসেন।
দাভোস ইকোনমিক ফোরামে ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ নামে গাজা পুনর্গঠনের একটি নতুন ক্লাব ঘোষণা করেন, যা অনেকের মতে জাতিসংঘকে অকার্যকর করার প্রচেষ্টা এবং নতুন বৈশ্বিক কাঠামো গঠনের ইঙ্গিত।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।