লাতিন আমেরিকার একাধিক ডানপন্থি সরকার ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করছে; কেউ জেরুজালেমে দূতাবাস সরানোর পরিকল্পনা করছে, কেউ কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপন করছে। গত ৮ অক্টোবর ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সার বলেন, কলম্বিয়া তেল আবিব থেকে জেরুজালেমে দূতাবাস সরাবে। তিনি এটিকে ইসরাইলের কূটনৈতিক অবস্থানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, ব্রাজিলও কলম্বিয়ার সঙ্গে যোগ দিতে পারে। জেরুজালেমকে ইসরাইল ও ফিলিস্তিন উভয়েই নিজেদের রাজধানী বলে দাবি করে।
প্রতিবেদনে উদ্ধৃত বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিবর্তনের পেছনে ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক বলয়ের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার চেষ্টা, ইভানজেলিক্যাল খ্রিষ্টানদের ভোট ও ধর্মীয় প্রভাব এবং ইসরাইলের বাড়তি কূটনৈতিক তৎপরতা কাজ করছে। কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এস্প্রিয়েলা তার পূর্বসূরি গুস্তাভো পেত্রোর নীতি বদলে দূতাবাস স্থানান্তর, রাষ্ট্রদূত পুনর্নিয়োগ এবং গোলান মালভূমিতে ইসরাইলের নিয়ন্ত্রণ স্বীকৃতির পদক্ষেপ নিয়েছেন।
আর্জেন্টিনা, বলিভিয়া, চিলি, হন্ডুরাস ও ভেনেজুয়েলাতেও ইসরাইল-নীতিতে পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে। তবে মেক্সিকো, বলিভিয়া, কলম্বিয়া, ব্রাজিল ও চিলিসহ কয়েকটি দেশ বিভিন্ন সময়ে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে ইসরাইলের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার করা গণহত্যা মামলার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। প্রতিবেদনটিতে ইসরাইলপন্থি সমর্থন বাড়াতে ইভানজেলিক্যাল নেটওয়ার্ক ও বিভিন্ন উদ্যোগের ভূমিকাও তুলে ধরা হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।