প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম দ্বিপক্ষীয় বিদেশ সফর ২১ থেকে ২৬ জুন ২০২৬ পর্যন্ত চীন ও মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত হয়। সংসদে সর্বসম্মতভাবে গৃহীত ধন্যবাদ প্রস্তাবে সফরটিকে বাংলাদেশের জন্য বড় সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়। সফরে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তিস্তা নদী সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন এবং মালয়েশিয়া বন্ধ শ্রমবাজার পুনরায় খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। প্রধানমন্ত্রী সংসদে জানান, সফরকালে তার সরকার জাতীয় স্বার্থকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে এবং “বাংলাদেশ ফার্স্ট” নীতিই ছিল সফরের মূল ভিত্তি।
চীন সফরে দুই দেশের মধ্যে অবকাঠামো, বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে ১৭টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। প্রায় ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে বাস্তবায়িত হতে যাওয়া তিস্তা মহাপরিকল্পনা নদী পুনরুদ্ধার, বাঁধ নির্মাণ ও জলাধার তৈরির মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের কৃষি ও জীবিকা পুনরুজ্জীবিত করবে। মালয়েশিয়া সফরে ৯টি খাতভিত্তিক ৩৩ দফা যৌথ ইশতেহার প্রকাশিত হয়, যেখানে শ্রমবাজার, বিনিয়োগ ও সংস্কৃতি বিনিময় অন্তর্ভুক্ত ছিল।
তিস্তা প্রকল্পটি বাংলাদেশ-চীন যৌথ অংশীদারত্বে বাস্তবায়িত হবে। পাওয়ারচায়না সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ করছে। চীন জানিয়েছে, এ সহযোগিতা মানবিক ও গবেষণানির্ভর এবং কোনো তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য করে নয়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।