রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে আদালতের নির্দেশে দুই মাদক ব্যবসায়ীর সম্পদ ক্রোক করা হয়েছে এবং আরও ২০ জনের অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধান চলছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও দুর্নীতি দমন কমিশন যৌথভাবে মাদক ব্যবসায়ীদের অবৈধ সম্পদ শনাক্ত ও বাজেয়াপ্তের উদ্যোগ নিয়েছে। এই অভিযানে স্থানীয় মাদক কারবারিদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং অনেকে আত্মগোপনে চলে গেছেন।
আদালত গত ৬ এপ্রিল মো. আব্দুল্লাহ ও তার স্ত্রী সায়েরা বেগমের সম্পদ ক্রোকের আদেশ দেন এবং ২৩ মে শীর্ষ মাদক কারবারি তারেক হোসেনের প্রায় ১৯৯ শতাংশ জমি ক্রোকের নির্দেশ দেন। তারেকের বিরুদ্ধে গত বছর ৬ কেজির বেশি হেরোইনসহ গ্রেপ্তারের পর মানি লন্ডারিং আইনে মামলা হয়। এছাড়া আবুল কালাম আজাদসহ আরও কয়েকজনের অবৈধ সম্পদের তদন্ত চলছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, গোদাগাড়ীর ১৮৪ জন হেরোইন সিন্ডিকেট সদস্যের তালিকা রয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে সবাইকে তদন্তের আওতায় আনা হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।