বেইজিংয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বৈঠকে বাণিজ্যিক আলোচনা গুরুত্ব পেলেও তাইওয়ানের জন্য প্রস্তাবিত ১৪ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র চুক্তি আলোচনাকে জটিল করে তুলেছে। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা এই চুক্তির ভবিষ্যৎ এখন তাদের আলোচনার ওপর নির্ভর করছে। এতে কাউন্টার-ড্রোন সরঞ্জাম, ইন্টিগ্রেটেড ব্যাটল কমান্ড সিস্টেম এবং মাঝারি পাল্লার গোলাবারুদ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
মার্কিন সিনেটর অ্যান্ডি কিমসহ বেশ কয়েকজন আইন প্রণেতা ট্রাম্পকে চুক্তিটি এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, তাইওয়ানের আত্মরক্ষার জন্য এই অস্ত্র অপরিহার্য এবং এটি চীনের সঙ্গে বাণিজ্য বা কূটনৈতিক দরকষাকষির অংশ হওয়া উচিত নয়। ট্রাম্পের আলোচনায় এই ইস্যু অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় কূটনৈতিক উদ্বেগ বেড়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প যদি বেইজিংয়ের চাপের মুখে নীতিগত নমনীয়তা দেখান, তবে তা রোনাল্ড রেগানের আমলের দীর্ঘস্থায়ী মার্কিন নীতির বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখা হবে। এই সফরের ফলাফল যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্ক ও আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।