ইসরাইলে মঙ্গলবারের নির্বাচনে দেশটির দীর্ঘতম সময় ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ভাগ্যপরীক্ষা হচ্ছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে হামলা ঠেকাতে ব্যর্থতা, গাজায় যুদ্ধ, ইরানের সঙ্গে সংঘাত এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরাইলের ক্রমবর্ধমান বিচ্ছিন্নতার কারণে তিনি চাপে রয়েছেন। জনমত জরিপে নেতানিয়াহুর লিকুদ ও তার ডানপন্থি মিত্রদের সঙ্গে সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন জোটের হাড্ডাহাড্ডি প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস মিলছে।
নেতানিয়াহু প্রচারে যুদ্ধকালীন নেতৃত্ব ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে সামনে এনেছেন। ট্রাম্প তাঁকে প্রকাশ্যে সমর্থন দিয়েছেন। অন্যদিকে আইজেনকট নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ভয় ছড়ানো, মিথ্যা বলা ও হুমকির রাজনীতির অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেছেন, প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ বা যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে কূটনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমে ইরানকে সামরিক কাজে উপযোগী পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জন থেকে ঠেকাতে হবে।
১২০ আসনের পার্লামেন্টে কোনো পক্ষই সরকার গঠনের জন্য নিশ্চিত নয়। সংখ্যাগরিষ্ঠ জোট না হলে আগামী বছরের নতুন নির্বাচন পর্যন্ত নেতানিয়াহু তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে থাকতে পারেন। স্থানীয় সময় সকাল ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলবে। আরব সংখ্যালঘু ভোটারের অংশগ্রহণও সরকার গঠনের জটিল সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।