বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশকে শক্তিশালী কূটনীতি ও আন্তর্জাতিক চাপের পথে এগোতে হবে বলে মত দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যানের একটি নিবন্ধে। নিবন্ধে বলা হয়, ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারে সহিংসতা ও নিপীড়ন থেকে বাঁচতে মানুষ সীমান্ত পেরিয়ে এলে বাংলাদেশ আশ্রয় দেয়। ২০২৬ সালের ৩০ জুন সরকার ও ইউএনএইচসিআরের হিসাবে এদের সংখ্যা ১২ লাখ ১৭১; কক্সবাজারে ১১ লাখ ৬৬ হাজারের বেশি এবং ভাসানচরে প্রায় ৩৪ হাজার মানুষ রয়েছেন।
নিবন্ধটি বলছে, সংকটটি এখন শুধু মানবিক নয়; বাংলাদেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও নিরাপত্তাগত চ্যালেঞ্জ। ১৯৭৮ এবং ১৯৯১-৯২ সালের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে এতে বলা হয়েছে, দ্বিপক্ষীয় আলোচনা, জাতিসংঘের সক্রিয় সম্পৃক্ততা ও আন্তর্জাতিক চাপ প্রত্যাবাসনের পথ তৈরি করেছিল। ইউএনএইচসিআরের নথি অনুযায়ী, ১৯৯২ সালের পর গড়ে ওঠা কাঠামোর আওতায় প্রায় ২ লাখ ৩৬ হাজার মানুষ মিয়ানমারে ফিরে যায়।
২০১৭ সালের পর প্রত্যাবাসন বিলম্বের জন্য মিয়ানমারের অনাগ্রহ ও অসহযোগিতা, কূটনৈতিক সীমাবদ্ধতা এবং আন্তর্জাতিক চ্যালেঞ্জকে দায়ী করা হয়েছে। নিবন্ধে বলা হয়েছে, ত্রাণ স্থায়ী সমাধান নয়; বিশ্বনেতাদের সমাধানের দায় ভাগ করে নিতে হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।