পানামা ও সুয়েজ খালসহ বিশ্বের প্রধান কৃত্রিম জলপথগুলো সমুদ্রপথ সংক্ষিপ্ত করে জ্বালানি, সময় ও পরিবহন ব্যয় কমায় এবং টোল ও সেবা থেকে বড় অঙ্কের আয় করে। পানামা খাল আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে। পানামা চ্যানেল অথরিটির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ অর্থবছরে ১৩ হাজার ৪০৪টি জাহাজে ৪৮৯.১ মিলিয়ন টন পণ্য পরিবহন করে খালটির আয় হয়েছে প্রায় ৫.৭ বিলিয়ন ডলার।
মিসরের সুয়েজ খাল ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে যুক্ত করেছে, তবে লোহিত সাগরসংলগ্ন নিরাপত্তা সংকটে এর আয় বড় ধাক্কা খেয়েছে। ২০২৩ সালে রেকর্ড ১০.২৫ বিলিয়ন ডলার আয়ের পর ২০২৪ সালে আয় ৬১ শতাংশ কমে ৩.৯৯১ বিলিয়ন ডলারে নামে। মিসরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আয় প্রায় ৪.৬৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে ২৩ শতাংশ বেশি।
জার্মানির কিয়েল খাল বন্দর ও সামুদ্রিক বাণিজ্যকে সহায়তা করে, আর চীনের গ্র্যান্ড ক্যানেলে ২০২৫ সালে ৩ লাখ ৭০ হাজার টিইইউ কনটেইনার পরিবহন হয়েছে। পোর্ট হিউস্টনের হিসাবে, হিউস্টন শিপ চ্যানেল ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ৯৮৬.৯ বিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক অবদান এবং প্রায় ৩৫ লাখ কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত ছিল। খালগুলোর কার্যকারিতা ধরে রাখতে ড্রেজিং, পানি ব্যবস্থাপনা, আধুনিকায়ন ও নিরাপত্তা জরুরি।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।