প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী মানব পাচার দমনে আইনের শাসন, শিক্ষার প্রসার এবং তৃণমূল পর্যায়ে সাংস্কৃতিক সচেতনতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। ৩০ জুলাই ২০২৬ বিশ্ব মানব পাচার প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর সি মজুমদার আর্টস মিলনায়তনে আয়োজিত জাতীয় সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি ও বাংলাদেশ আর্ট ক্রিটিসিজম ট্রাস্ট যৌথভাবে ‘মানব পাচার প্রতিরোধে গণমাধ্যম ও সংস্কৃতির ভূমিকা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে।
রিজভী বলেন, দেশে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড কমে যাওয়ায় মানুষের সচেতনতা কমছে এবং অপরাধপ্রবণতা বাড়ছে। নিরক্ষর মানুষও যেন স্থানীয় প্রশাসন বা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে এবং প্রতারণা, শোষণ, সহিংসতা ও পাচারের শিকার না হয়, সে জন্য শিক্ষার বিস্তার প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমীন তথ্যপ্রমাণ ও উপাত্তভিত্তিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে সাংবাদিকদের ভূমিকার কথা বলেন।
প্রধান বক্তা অধ্যাপক রেজাউল করিম সোহাগ বলেন, আন্তর্দেশীয় পাচারের পাশাপাশি দেশে জোরপূর্বক শ্রম, শিশু ও নারীর শোষণ উদ্বেগজনকভাবে বিদ্যমান। তিনি পুনঃপ্রণীত ‘মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬’-এর কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল ‘প্রতারণার আড়ালের ফাঁদ’, যা অনলাইন প্রতারণা, সাইবার দাসত্ব ও ডিজিটাল শোষণের ঝুঁকি নিয়ে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্য বহন করে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।