পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিনেও আশানুরূপ পর্যটক সমাগম হয়নি। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ৩ থেকে ৪ লাখ পর্যটক আসার প্রত্যাশায় হোটেল-মোটেল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে বিশেষ ছাড় ঘোষণা করেছিলেন। তবে শুক্রবার সরেজমিনে দেখা যায়, জিরো পয়েন্ট ও গঙ্গামতির চরের মতো জনপ্রিয় স্থানে ভিড় নেই। অল্পসংখ্যক দর্শনার্থীর বেশিরভাগই স্থানীয় ডে-ট্যুরিস্ট, যারা সকালে এসে বিকেলে ফিরে যাচ্ছেন।
হোটেল, ঝিনুক মার্কেট ও রাখাইন মার্কেটের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা ক্রেতা সংকটে সময় পার করছেন। ব্যবসায়ীদের মতে, দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষ ভ্রমণ বাজেট কমিয়েছে। ফলে দীর্ঘ ছুটি থাকা সত্ত্বেও পর্যটক উপস্থিতি প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম। তারকা মানের হোটেলে মাত্র ২০–৩০ শতাংশ এবং মাঝারি মানের হোটেলে ১০–২০ শতাংশ রুম বুকিং হয়েছে।
পর্যটন সংশ্লিষ্ট নেতারা আশা করছেন, সপ্তাহের শেষ দিকে পর্যটক বাড়তে পারে। তবে তা না হলে পূর্বের লোকসান পুষিয়ে ওঠা কঠিন হবে বলে তারা আশঙ্কা করছেন। ট্যুরিস্ট পুলিশ জানিয়েছে, সৈকত ও আশপাশের এলাকায় পর্যটকদের নিরাপত্তায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।