দক্ষিণ এশিয়ায় কৌশলগত ভারসাম্য নষ্ট হলে তা পুনরুদ্ধারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে পাকিস্তান। মঙ্গলবার ইসলামাবাদে দ্বিতীয় নন-প্রলিফারেশন সম্মেলনে পাকিস্তানের জাতীয় কমান্ড কর্তৃপক্ষের উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল খালিদ কিদওয়াই বলেন, ভারতের পারমাণবিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সম্ভাব্য ‘ফার্স্ট ইউজ’ নীতির দিকে ঝুঁকে পড়া আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি।
কিদওয়াই বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় কৌশলগত ভারসাম্যহীনতা পাকিস্তান কখনো মেনে নেয়নি এবং ভবিষ্যতেও নেবে না। পরিস্থিতি বিবেচনায় পাকিস্তান তার পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের বিকল্পগুলো পুনর্বিবেচনা করতে পারে বলেও তিনি জানান। কিদওয়াই ও সাবেক সামরিক কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল সরফরাজ সাত্তার অভিযোগ করেন, ভারতের সাবমেরিনে পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন, ক্ষেপণাস্ত্র আধুনিকায়ন ও সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি দেশটির ঘোষিত ‘নো ফার্স্ট ইউজ’ নীতির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
তাদের দাবি, ভারতীয় সাবমেরিনে প্রায় ১২টি পারমাণবিক ওয়ারহেড মোতায়েনের খবর এবং সমুদ্রভিত্তিক পারমাণবিক টহল উত্তেজনা বাড়াতে পারে। কিদওয়াই ভারতের প্রতি পাকিস্তানের ‘ফুল স্পেকট্রাম ডিটারেন্স’ নীতি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনার আহ্বান জানান। সরফরাজ সাত্তার বলেন, ২০২৫ সালের মে মাসের সংঘাত দেখিয়েছে প্রচলিত সামরিক লড়াই দ্রুত পারমাণবিক উত্তেজনায় রূপ নিতে পারে; অস্ত্র নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার অভাব ও সামরিক প্রতিযোগণা ভুল হিসাব বা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।