২০২৬ সালের ২৯ জানুয়ারি প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে গবেষক ও সাংবাদিক আমীর খসরু রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষার ধারণার ঐতিহাসিক বিবর্তন তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশকে পরিবর্তিত বৈশ্বিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতিরক্ষা কূটনীতিতে মনোযোগী হতে হবে। তিনি প্রাচীন সভ্যতা থেকে আধুনিক যুগ পর্যন্ত প্রতিরক্ষা চিন্তার বিকাশ ব্যাখ্যা করে বলেন, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা যুদ্ধের সমার্থক নয়। ক্ষুদ্র ও দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অংশগ্রহণমূলক জাতীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অপরিহার্য।
প্রবন্ধে বলা হয়েছে, ঔপনিবেশিক ও নয়া ঔপনিবেশিক প্রভাব ক্ষুদ্র রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে মানসিক নির্ভরতা সৃষ্টি করেছে, যা তাদের প্রতিরক্ষা ধারণাকে দুর্বল করেছে। লেখক হ্যারল্ড নিকলসন, হ্যান্স মরগেনথাউ ও স্টিফেন ওয়াল্টের তত্ত্ব উদ্ধৃত করে দেখিয়েছেন, কূটনীতি, বাস্তববাদ ও হুমকির ভারসাম্য আধুনিক আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মূল চালিকা শক্তি। তিনি সতর্ক করেছেন, আধিপত্যবাদী শক্তিগুলো ভুয়া বয়ানের মাধ্যমে স্বাধীন রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে।
আমীর খসরু উপসংহারে বলেন, সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের সাম্প্রতিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতার মতো উদাহরণ থেকে শিক্ষা নিয়ে বাংলাদেশকেও বৈশ্বিক পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।