ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বরিশালের জেলা প্রশাসক (ডিসি) খায়রুল আলম সুমনের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ‘আমার দেশ’-এ প্রতিবেদন প্রকাশের এক সপ্তাহ পরও মন্ত্রণালয় কোনো তদন্ত কমিটি গঠন করেনি এবং তিনি এখনো পদে বহাল রয়েছেন। এ ঘটনায় জেলা ও দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, দুর্নীতির তথ্য ফাঁসের সন্দেহে ডিসি কার্যালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বদলি করা হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রগুলো জানিয়েছে, অভিযোগ প্রকাশের পর বিভিন্ন সংস্থা নথি ও তথ্য সংগ্রহ করছে এবং উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা গোপনে বরিশালে এসে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলছেন। বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ জানিয়েছেন, বিভিন্ন সংস্থা ও মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিয়ে খোঁজ নিচ্ছে, তবে তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত মন্ত্রণালয়ের। অন্যদিকে, প্রতিবেদক নিকুঞ্জ বালা পলাশের বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর অনুসন্ধানের খবরও পাওয়া গেছে।
ডিসি কার্যালয়ে বদলির ঘটনায় অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। কয়েকজন কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে বিভিন্ন শাখা ও উপজেলায় বদলি করা হয়েছে, যা অনেকেই প্রতিশোধমূলক বলে মনে করছেন। তবে বিভাগীয় কমিশনার জানিয়েছেন, এসব বদলির বিষয়ে তিনি অবগত নন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।