Web Analytics

চট্টগ্রামে গণপরিবহন ব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়েছে; প্রধান সড়কগুলোতে নিয়মিত বড় বাসের সংখ্যা কমে যাওয়ায় নগরবাসী ১২ থেকে ১৪ আসনের ছোট তিন চাকার যানের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। বহদ্দারহাট, মুরাদপুর, জিইসি, আগ্রাবাদ, অলংকার, একে খান ও পতেঙ্গাসহ গুরুত্বপূর্ণ রুটে বড় বাস খুবই কম চলে। বহদ্দারহাট-আগ্রাবাদ রুটে হাতে গোনা বাস যাত্রীচাহিদা মেটাতে পারছে না। সকাল ও সন্ধ্যার অনেক বড় বাস তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিক পরিবহনে ব্যস্ত থাকায় সাধারণ যাত্রীদের সংকট বাড়ছে।

বিআরটিএর তথ্যে চট্টগ্রাম মহানগরীতে ১৭টি বাস-মিনিবাস রুটে ২,৯০০টি রুট পারমিট রয়েছে, যার মধ্যে ৮০৩টি বাস ফিটনেসবিহীন। অনুমোদিত বাস-মিনিবাস ১,১৩০টি, টেম্পো ২,১৫৮টি, হিউম্যান হলার ৯৬৯টি এবং সিএনজি অটোরিকশা ১৩ হাজারটি। সংশ্লিষ্টদের দাবি, অনুমোদনহীন অন্তত ১০ হাজার সিএনজি অটোরিকশা ও ৫০ হাজারের বেশি ব্যাটারিচালিত রিকশাসহ ছোট যানের আধিক্য সড়ক ব্যবস্থাপনায় চাপ বাড়াচ্ছে।

সিএমপি ট্রাফিক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১২ বছর আগে ঘণ্টায় ২১ কিলোমিটার থাকা যানবাহনের গড় গতি এখন পাঁচ কিলোমিটারে নেমেছে। বিশেষজ্ঞরা পরিকল্পিত রুটভিত্তিক বাস নেটওয়ার্ক, নির্ধারিত বাসস্টপ, সময়সূচিভিত্তিক চলাচল ও রুট ফ্র্যাঞ্চাইজি চালুর দাবি জানিয়েছেন। ট্রাফিক পুলিশ জানিয়েছে, ফিটনেসবিহীন ও অননুমোদিত যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা এবং অবৈধ বাসস্টপ উচ্ছেদের কার্যক্রম চলছে।

Card image

Related Threads

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।